৩০টি আসনে ভোট পুনর্গণনার আবেদন, জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনি পদক্ষেপ নেবে জামায়াত
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।
জামায়াত বলছে, এসব আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর সঙ্গে বিজয়ী ঘোষণা করা প্রার্থীর ব্যবধান খুবই অল্প। যেখানে ভোটের সর্বোচ্চ ব্যবধান হয়েছে ১০ হাজার মতো। আসনগুলোতে তারা জয়ের বার্তা পাচ্ছিল, যখন ভোগ গণনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ভোট পুনরায় গণনা হলে তারা জয় পাবে বলে আশা ব্যক্ত করেছে।
আসনগুলো হচ্ছে, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১, লালমনিরহাট- ২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩, খুলনা-৫, বরগুনা-১, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১ (রিকশা), ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ- ৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩ (রিকশা), ঢাকা-১৭, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ ও কক্সবাজার-৪।
তার মতে, ঢাকার কিছু আসনে ফলাফল দিতে অনেক দেরি হয়েছে। আবার কিছু জায়গায় খুব দ্রুত ফলাফল দেয়া হয়েছে। সেগুলোতে তিনি অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখছেন।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেন, যারা সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে, তারা নেতাকর্মীদের সহিংসতা রুখতে কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। জামায়াতে ইসলামী আশা করেছিল ফ্যাসিবাদী আচরণমুক্ত নতুন বাংলাদেশে হবে।







