নির্দিষ্ট একটি দলের টাকা দিয়ে ভোট ক্রয়কে কেন্দ্র করে বগুড়ার নন্দীগ্রামের থালতামাঝ গ্রামের একটি বসত বাড়িতে হামলা করে আহত
নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি :
গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১১ টার সময় সংগঠিত ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করলে এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানা যায়। জামায়ারের নেতাকর্মীরা নন্দীগ্রামের পারগুন গ্রামে বেলাল ও ফারুক জাতীয় নির্বাচনে টাকা দিয়ে ভোটগ্রহের ক্রয়ের জন্য বাড়ী বাড়ী প্রদান করার সময় আব্দুল আজিজের বাড়িতে প্রবেশ করেন। বেশ কিছু লোকের সমাগম দেখতে পেয়ে সেখানে যান বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা যেখানে দেখতে পান স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বর্তমান জামায়াত কর্মী বেলালসহ প্রামাত শিবিরের নেতাকর্মীরা ভোটারদের মাঝে বাড়ী বাড়ী গিয়ে টাকা বিলি করছিল। এ সময় বিএনপি নেতা কর্মীরা সেখান থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বর্তমান আমায়াত নেরা বেগালসহ দুইজনকে ঘিরে ধরে লোকজন ডাকাডাকির এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে নিয়ে যায়। পুলিশে খবর দিলে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট পর সেখানে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের একটি দল হাজির হয়। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশের গৌহানোর কথা ৩০ মিনিটে। তবে পুলিশের নিরব ভূমিকার কারনে সেখানে দেড়িতে উপস্থিত হওয়ায় অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বর্তমান দুই আমায়াত কর্মীকে আটিকের আগেই কয়েকশ জামায়াত কর্মী লাটি সোটা ও প্রায়ালো অস্ত্র হাতে যেখানে হামলা চালায়। ভালা বিএনপি নেতা মাসুদ রানা ও তার ভাইকে এলোপাথারি মারপিট করে এবং বাড়ি ঘরে ব্যাপক আগ্রচুর চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপি জর্মীদের। হাতে, আটক ২ জামায়াত কর্মীকে সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় জামায়াতের লোকজন।
হামলায় বিএনপি নেতা মাসুদের ডান চোখ উপরে কোটরের বাইরে চলে এসেছে। আকার বলেছেন চোখটি আলো ফেরানো অনিশ্চিত। তার ছোট ভাই রবিউল ইসলামের ডান হাত ও ডান পা ভেঙ্গে ফেলেছে এবং মাগায় ১৭টি সেলাই দেওয়া হয়েছে তারা উভয়েই বর্তমানে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মাসুদের স্ত্রী সন্তানকে বেধড়ক যেয়েছে ও তাদের বাড়ী ধার ভেঙ্গে ফেলেছে, সোনা দানা ও অর্থ লুট করেছে এবং আশে পাশের বেশ কয়েটি বাড়ী সন্ত্রাসী কায়দায় ভাংচুর করেছে।
নন্দীগ্রাম উপজেলা ৪নং থালতামাজ গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা ও তার আপন ছোট ভাই মোঃ রবিউল ইসসাম সহ আমরা এসব ঘটনায় জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিচার দাবি করছি।
দেশের জনগণ তাদের কোনোভাবেই গ্রহণ করবে না। এটা বুঝতে পেরে তারা পরিকল্পিত ভাবে নির্বাচন বানচালের পথে হাঁটছে। তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। কিন্তু জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ শক্তি তাদের কুটকৌশল বাস্তবায়ন হতে দিবে না। আমরা চাই বগুড়া তথা দেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক।
৩৬ বগুড়া-০৪ ফামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ এর নির্দেশে ১। আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, সভাপতি খুব জামায়াত বিভাগ, পেংহাজারকী, নন্দীগ্রাম
২। মুজাহিদুল ইসলাম, পিতা, রুহুল আমিন যুক্তিবাদী নন্দীগ্রাম
৩। মোঃ বেলাল, পিতা- শুক্রবর
৪। মোঃ ফারুক পিতা- গোফ্ফার
৫। মোঃ সাইফুল, ৪নং ওয়ার্ড আমির, খালতা মাওগ্রাম ইউনিয়ন, জামায়াত
৬। মোঃ হেলাল, (মাসুদ ও তার স্ত্রীকে মেরেছে)
৭। মোঃ জলিল, পিতা- সাহেব আলী, গ্রাম- পারতন
৮। মোঃ নুরু, গ্রাম-পারশুন
৯। মোঃ জাহাঙ্গীর, পিতা- আবুল, গ্রাম- পারগুন
১০। মোঃ জুয়েল, পিতা- আনেফ, গ্রাম- পারশুন
১১। মোঃ আলামিন, পিতা- চান্দু, গ্রাম- পারগুন
১২। মোঃ আব্দুল আজিজ, পিতা- ইব্রাহিম, গ্রাম- পারশুন
১৩। মোঃ দেলু, পিতা- আয়েফ আলী, গ্রাম- পারশুন
১৪। মোঃ মজিদ, পিতা- ফজলার, গ্রাম- পারশুন
১৫। মোঃ কালু, পিতা- আশরাফ, গ্রাম- পারতন।
১৬। মোঃ সামাদ, পারঘাটা ইউনিয়ন ওয়ার্ড সভাপতি, জামায়াত
১৭। মোঃ রাকিব, পিতা-ইদ্রিস, দামগাড়া, নন্দীগ্রাম
১৮। মোঃ রাকিব, পিতা- ইব্রাহিম, নন্দীগ্রাম কলেজ পাড়া
১৯। মোঃ তালহা, পিতা- খোরশেদ, নন্দীগ্রাম
২০। মোঃ ইকরাম, গ্রাম- পারশুন।
২১। অজ্ঞাত আরো ৫০ থেকে ৬০ জন।
© All rights reserved © 2025 Coder Boss