1. admin2@pjbnews.xyz : admin :
  2. admin@pjbnews.xyz : pjbnews.xyz :
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন

নিবন্ধনবিহীন শিক্ষকের এমপিও বাতিল ও সুপারিশপ্রাপ্তকে নিয়োগ কেন নয়: হাইকোর্ট

Coder Boss
  • Update Time : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮ Time View
Oplus_131072

নিবন্ধনবিহীন শিক্ষকের এমপিও বাতিল ও সুপারিশপ্রাপ্তকে নিয়োগ কেন নয়: হাইকোর্ট

অভিযোগকারী চাকরিপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, ইনডেক্সবিহীন এক প্রার্থীকে তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্তির চেষ্টা করা হয়েছে।
নীলফামারী জেলার ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদে নিবন্ধনবিহীন শিক্ষক নিয়োগ ও বিধিবহির্ভূত এমপিওভুক্তির বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।রুলে নিবন্ধনবিহীন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের এমপিও কেন বাতিল করা হবে না এবং নিবন্ধনধারী সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে কেন ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে আজ রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মিয়া।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদে ভুয়া নিয়োগ ও বিধিবহির্ভূত এমপিওভুক্তির অভিযোগ তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রভাষক হালিমা খাতুনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাউশির সহকারী পরিচালক মাঈন উদ্দিনের সই করা চিঠিতে গত বছরের ৩১ জুলাই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী চাকরিপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, ইনডেক্সবিহীন এক প্রার্থীকে তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্তির চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে, ২০১০ সালের নিয়োগে নিবন্ধনধারী প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও হালিমা খাতুনকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা বিজ্ঞপ্তির শর্তের পরিপন্থি। অভিযোগকারী জাকারিয়া হোসেন সে সময় নিবন্ধনধারী ছিলেন (রোল: ৪০৮১০৪৭৬, ফল প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। অন্যদিকে হালিমা খাতুন ইনডেক্স পরীক্ষায় অংশ নেন ২০১৫ সালে (রোল: ৪০৮০৩২৪৮, ফল প্রকাশ: ৯ নভেম্বর ২০১৫)।

তদন্ত সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১৪ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত মূল খাতা, আবেদনপত্র ও ফলাফল শিট কলেজ কর্তৃপক্ষ দেখাতে ব্যর্থ হয়। সরেজমিন তদন্তে দেখা যায়, ২০১০ ও ২০১৫ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র কলেজে সংরক্ষিত নেই।

এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থী জাকারিয়া হোসেন হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে আদালত ওই রুল জারি করেন। আদালতের রুলের জবাব দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025 Coder Boss

Design & Develop BY Coder Boss